২ বছর বয়সে রাস্তায় ফেলে গিয়েছিলো নিজের পরিবার,যেভাবে আজ সে গ্র্যাজুয়েট! 🎓..See more
নাইজেরিয়ার একটি গ্রামে ২০১৬ সালে একটি ছবি পুরো বিশ্বকে কাঁদিয়েছিল।
মাত্র ২ বছর বয়সী একটি হাড়-কঙ্কাল শিশু ক্ষুধায় কঁকিয়ে উঠছে, একা দাঁড়িয়ে আছে রাস্তায়। ওজন মাত্র ৩ কেজি। তার নিজের বাবা-মা তাকে ফেলে চলে গিয়েছিল, কারণ তারা বিশ্বাস করতো এই শিশুটি “ডা-ই-নি”—সে তার পরিবারের জন্য অভিশাপ।
সেদিন Anja Ringgren Lovén নামের একজন ডেনিশ মানবতাকর্মী সেই গ্রামে ছিলেন। তিনি ছেলেটিকে দেখামাত্র পানি ও বিস্কুট দিলেন। ছেলেটির এতটুকু শক্তিও ছিল না বোতল তুলে ধরার।
Anja তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলেন। নাম রাখলেন “Hope” (আশা)।
কারণ সেই মুহূর্তে সবাই শুধু আশা করতে পারতো—সে বাঁচবে।
সে বেঁচে গেল।
Anja তাঁর প্রতিষ্ঠিত “Land of Hope” আশ্রমে Hope-কে লালনপালন করলেন। পড়াশোনা, চিকিৎসা, ভালোবাসা—সব দিলেন। Hope কানে শুনতে পায় না, কিন্তু তার মেধাকে কেউ থামাতে পারেনি।
২০২৫ সালে Hope প্রাইমারি স্কুল থেকে ক্লাসের সর্বোচ্চ নম্বর নিয়ে পাস করেছে। এখন সে সেকেন্ডারি স্কুলে পড়ছে। তার স্বপ্ন একজন শিল্পী হওয়া। তার শিক্ষকরা তাকে ডাকেন “Little Picasso”।
যে শিশুকে পরিবার অভিশাপ ভেবে মরতে ছেড়ে দিয়েছিল—
সেই শিশু আজ প্রমাণ করেছে, ভালোবাসা যেকোনো অন্ধকারকে জয় করতে পারে।
Anja আজও নাইজেরিয়ায় থেকে এভাবেই শত শত শিশুর জীবন বদলে দিচ্ছেন।
ti
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment