আল্লাহর সিগন্যাল কি ধরতে পারছেন…see more

 


আল্লাহর সিগন্যাল কি ধরতে পারছেন ☝️⚠️

তার আগে চলেন উদাহরণ টানি । তাহলে বুঝতে সুবিধা হবে 


একটা সৈনিক তৈরি করার জন্য সরকার কি করে জানেন ? বুদ্ধিমান, শক্তিমান, ভালো ফিটনেস দেখে বাছাই করে । 


ভোর বেলা প্রার্থনার পর ৫-১০ কিলোমিটার দৌড়াতে দেয় । এরপর বুক ডন, বিভিন্ন এক্সারসাইজ করায় । উঁচু থেকে লাফ দেয়ায়, দড়ি ধরে ঝুলতে হয়, পাহাড়-পর্বত মাড়িয়ে কঠোর জীবনে অভ্যস্ত করিয়ে তারপর বন্দুকের অনুশীলনে দক্ষ বানিয়ে তারপর যুদ্ধে পাঠানো হয় ।

এতে সেই সৈনিক সবরকম প্রতিকুল পরিবেশে টিকে থাকতে পারে । নিজেকে বাঁচাতে পারে । অন্যদের জীবন বাঁচাতে সহযোগিতা করতে পারে । 


ভাবুন তো আপনার হাতে যদি একটা রাইফেল বা পিস্তল ধরিয়ে যুদ্ধে নামিয়ে দেয়া হয় আপনি কতক্ষণ টিকবেন ? এক মিনিট ? খুব বেশী বলে ফেললাম কারণ যিনি রাইফেল বা পিস্তল চালাতে পারে না সে শত্রুকে কতক্ষন আটকে রাখতে পারে ? 


এখন আসুন আল্লাহর সিগন্যালে আসি । 


মধ্যপ্রাচ্যের কন্ডিশন, বিশ্ব ব্যবস্থা, অর্থনীতি, অত্যাচার-নির্যাতন ইত্যাদি আমাদের শেষ সময়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে । 


আর হাদিসে শেষ সময় সম্পর্কে কি কি আছে ? 


মুদ্রা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়বে, মহামারি, যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, অনাবৃষ্টি, খরা ইত্যাদি আসবে যা মুমিনদের ঈমানের পরীক্ষা নিবে । 


কালকে যদি বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়, দুর্ভিক্ষ শুরু হয়, বাংলাদেশের উপর বোমা এসে পড়ে, আপনি কয়দিন বেঁচে থাকবেন ? সর্বোচ্চ ৩ দিন । এরপর মাটিতে মিশে যাবেন । কারণ আপনার উপর যেসব প্রকৃতিগত জীবাণু আক্রমণ করবে সেগুলির জন্য আপনার শরীর প্রস্তুত না । 


আমরা ৪-৫ বছর আগেই একটা মহামারি অতিক্রম করলাম । আমাদের ইমিউন সিস্টেম টিকার কারণে উন্নতি লাভ করেছে । কিংবা শারীরিকভাবে পরিশ্রমি, শক্তিশালীরা টিকে গেছে । যারা একেবারেই দুর্বল তারা মারা গেছে । 


এবার আসছে আরেকটু কঠিন পরীক্ষা । জ্বালানী সমস্যা শুরু হয়ে গেছে । শীঘ্রই হয়ত কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হবে । বিদ্যুৎ ঘাটতি হবে । আমরা যারা গরম সহ্য করতে পারি না, তারা এবার স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী গরমে অভ্যস্ত হবো । আরেকদিকে কৃষিতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবো । আমাদের ভাত, সবজি, তরকারি এসব আমরাই উৎপাদন করতে শিখে যাবো এবারের পরীক্ষায় । 


এই পরীক্ষাতেও অনেক মানুষ মারা যাবে । বেঁচে থাকবে তারাই যারা প্রকৃতিকে জয় করতে পারবে । তার মানে আপনার শরীর জীবাণু, ব্যাকটেরিয়া থেকে নিজেকে সুসংহত ইতিমধ্যে করে ফেলেছে । এবার আপনি প্রকৃতিকে বিজয় করে বেঁচে থাকবেন । আপনি একই সাথে ভয়াবহ ভ্যাপসা গরমে টিকে থাকতে শিখবেন, প্রকৃতিকে ব্যবহার করে নিজেকে রক্ষা করা শিখে ফেলবেন । 


আমাদের সামনে দুইটা গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা শেষ হবে । 


যদিও আমি বিশ্বাস করতে চাই না কিন্তু ভাবনার এক কোণে মনে হয় পরমাণু যুদ্ধ খুব কাছে । ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করা শেখার কারণে জীবাণু অস্ত্রের কারণে একটা শ্রেণী মারা গেলেও যারা হেলদি রুটিন অনুসরণ করে জীবন-যাপন করে তাদের ইমিউন সিস্টেমের কারণে তারা অনেকেই বেঁচে যাবে । তারপর তেজস্ক্রিয়তার কারণে ফুড চেইন ধ্বংস হলেও কৃষির মাধ্যমে নিজেকে রক্ষা করা লোকেরা এই সমস্যাও কাটিয়ে উঠবে । কারণ কৃষিতে অভ্যস্ত লোকেরা পরের মৌসুমের জন্য ফসলের বীজ সংরক্ষণ করে রাখবে । বেঁচে থাকা লোকেরা এইসব বীজ ব্যবহার করে খাদ্য উৎপাদন করে টিকে থাকবে । 


যারা করোনা থেকে রক্ষা পেয়েছে কিন্তু দুর্বল ফিটনেস তাদের বড় একটা অংশ এবার ধ্বংস হয়ে যেতে পারে আমি অনুমান করছি কারণ এসিতে থেকে অভ্যাসের কারণে হঠাৎ গরম এদের শরীর সহ্য করতে পারবে না, ফ্যানের নিচে থাকা, আরাম আয়েশে জীবন কাটানো লোকেরা এই সমস্যা ফেইস করবে । 


প্রবাদ আছে, কঠিন সময় কঠিন মানুষ তৈরি করে । 


আমাদের সামনে কঠিন সময়, যে কারণে প্রকৃতি আমাদের কৃষিতে সরিয়ে নিচ্ছে । আমাদের গবাদি পশু পালনের দিকে আকৃষ্ট করে দিচ্ছে । এগুলি কোন স্বাভাবিক বা হঠাৎ জেকে বসা কিছু নয় । 


আল্লাহ চাচ্ছেন মাহদি আঃ এর সময়ে কঠিন পরিবেশে টিকে থাকা লোকেরা বেঁচে থাকবে । দাজ্জালের সময় প্রথম বছর অর্ধেক বৃষ্টি হবে না, দ্বিতীয় বছর একেবারেই বৃষ্টি হবে না । তার মানে কৃষি ধ্বংস হয়ে যাবে । সেই সময়ে দুর্বল লোকেরা দাজ্জালের অনুসারী হয়ে যাবে । কিন্তু যারা কৃষি শিখে ফেলবে তারা বীজ সংরক্ষণ, খাদ্য-শস্য সংরক্ষণ, করে রাখবে এবং আধাপেট খেয়ে নিজের জীবন ও ঈমান রক্ষা করবে ।


মাহদি ও দাজ্জাল হুট করে এসে পড়া কোন গল্প না । এই গল্পের চিত্রনাট্য প্রস্তুত হচ্ছে এবং আমরা তার চরিত্র । এই চরিত্রগুলি টিকে থাকবে মহামারি, দুর্ভিক্ষ, খরাকে বিজয় করে । এবং সংখ্যাটা অল্প সংখ্যক । 


এসব প্রাকৃতিক সমস্যাকে নিছক দুর্ঘটনা ভাবতে আমি রাজি না । হাদিসে যেভাবে বলা তার অনেক কিছু মিলে যাচ্ছে । সব জানার পরেও বসে থাকলে আমাদের ধ্বংস কেউ রুখতে পারবে না । 


হাদিসে বলছে, ফিতনা আরবের ঘরগুলিতে ছড়িয়ে পড়বে । একদিকে আগুন নিভ্লে অন্যদিকে জ্বলে উঠবে । 


এই কথা দ্বারা কি আপনি বুঝতে পারেন এটা এই সময়কে নির্দেশ করছে । গোটা আরবকে একটা এলাকা বিবেচনা করুন । প্রতিটা দেশ একেকটা ঘর । ইরাকের যুদ্ধ শেষ হতেই সিরিয়া, ইয়েমেনে শুরু হলো । এদিকে শেষ হতেই সৌদি, আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত যুদ্ধে জড়িয়ে গেলো । 


আমি কেবল একটা হাদিস টেনে আনলাম । এরকম কয়েক ডজন হাদিস রয়েছে যা আপনাকে শেষ সময়ের ফিতনাকে সংকেত দিচ্ছে । 


আপনি যদি আল্লাহর এই সিগন্যাল প্ল্যানে টিকে থাকতে চান তাহলে এই কথাগুলি অনুসরণ করতে পারেন । 


প্রথমত আমরা গায়েব জানি না । এই জ্বালানী সংকট আমাদের কোনদিকে নিয়ে যাচ্ছে আমরা জানি না । এই সমস্যা শেষ হলে তো বেঁচেই গেলাম কিন্তু বিশ্বব্যাপি বড় বড় নেতারা যখন বলছে পরিস্থতি ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছে তাহলে বিশ্বাস করতে হবে ভালো দিন শেষ হয়ে গেছে । 


আমার মতে কৃষিকে টার্গেট করুন । ফসল উৎপাদন শিখুন । বীজ তৈরি ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়া শিখুন । সময় ক্রমশ ভয়ংকর অবস্থার দিকে ধাবিত হচ্ছে । 


আমার মতে খারাপ সময়ে টিকে থাকার ট্রায়াল শুরু হয়ে গেছে । যে বাঁচতে চায় সে যেন হাদিসের সতর্কতা অনুসরণ করে জীবনযাপন পদ্ধতি পরিবর্তন করে । এটাই আল্লাহর সিগন্যা! এই সিগন্যাল বুঝতে পারবে অল্প লোকেরা ও বাঁচবেও কম লোকেরা । যারা হাসাহাসি করবে তারা প্রত্যেকে অপদস্থ হবে মৃত্যুর আগে ও পরে।

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments

Popular posts from this blog

রমজানের শেষ দিনের চাঁদ দেখা গেছে, আমিরাতে ঈদুল ফিতরের তারিখ জানা গেল...see more

কিস করার সময় জিহ্বার ব্যবহার সম্পর্কে যা জানা জরুরি …see more

একজন অভিভাবক হিসেবে আপনার জানা উচিত, কী লক্ষণগুলো...see more