খাওয়ার পর পেটব্যথা যে রোগের ইঙ্গিত…see more

 


খাওয়ার পরপরই পেটে ব্যথা হচ্ছে—এই উপসর্গকে অনেকেই বদহজম বা গ্যাস ভেবে এড়িয়ে যান। কিন্তু দিনের পর দিন এমন ব্যথা চলতে থাকলে, তার নেপথ্যে গুরুতর কোনো রোগও থাকতে পারে। বিশেষ করে ব্যথার সঙ্গে যদি বমি ভাব বা অস্বস্তি থাকে, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।চিকিৎসকদের মতে, খাবার খাওয়ার পর নিয়মিত পেটে ব্যথা হওয়া গলব্লাডার বা পিত্তথলিতে পাথর জমার লক্ষণ হতে পারে।লিভারের নিচে ডান পাশে অবস্থিত ছোট অঙ্গটি হলো পিত্তথলি। লিভারে উৎপন্ন অতিরিক্ত পিত্ত এখানে জমা থাকে। পিত্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল বা বিলিরুবিন জমলে, কিংবা পিত্তথলি ঠিকভাবে খালি না হলে ধীরে ধীরে পাথর তৈরি হতে পারে। অনিয়মিত খাওয়া-দাওয়া, অতিরিক্ত ফ্যাটযুক্ত খাবার গ্রহণ এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এই ঝুঁকি আরও বাড়ায়। পাথর পিত্তরস নিঃসরণে বাধা সৃষ্টি করলে তীব্র ব্যথা দেখা দেয়।


অনেক সময় শুরুতে স্পষ্ট কোনো লক্ষণ ধরা পড়ে না। ফলে অনেকেই বিষয়টি গুরুত্ব না দিয়ে এড়িয়ে যান। চিকিৎসকের মতে, গলব্লাডারে পাথর খুব বিরল রোগ নয়, কিন্তু অবহেলা করলে জটিলতা বাড়তে পারে। তাই পেটে ব্যথাকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত এই সমস্যার প্রধান লক্ষণ হলো পেটের ডান দিকের উপরের অংশে ব্যথা, যা অনেক সময় ডান কাঁধ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পর ব্যথা বেড়ে যায়। সঙ্গে বমি ভাব থাকতে পারে এবং একবার শুরু হলে এই ব্যথা ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্থায়ী হতে পারে।


কারা বেশি ঝুঁকিতে?


চিকিৎসকদের মতে, মহিলাদের মধ্যে গলব্লাডারে পাথরের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। ঘন ঘন উপোস, অনিয়মিত খাবার, ডায়াবেটিস, অনিয়ন্ত্রিত কোলেস্টেরল, মেনোপজের পর হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি বা দীর্ঘদিন গর্ভনিরোধক বড়ি ব্যবহার—এসব ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়ে। গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনও এই রোগের সম্ভাবনা বাড়াতে পারে।


তবে শুধু মহিলারাই নন, অতিরিক্ত ওজনের পুরুষ বা দীর্ঘদিন ধরে হজমের সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের মধ্যেও গলব্লাডারে পাথর হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। তাই খাওয়ার পর নিয়মিত পেটব্যথা হলে অবহেলা না করে সময়মতো চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই সবচেয়ে নিএই সমস্যার প্রধান লক্ষণ হলো পেটের ডান দিকের উপরের অংশে ব্যথা, যা অনেক সময় ডান কাঁধ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পর ব্যথা বেড়ে যায়। সঙ্গে বমি ভাব থাকতে পারে এবং একবার শুরু হলে এই ব্যথা ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্থায়ী হতে পারে।


কারা বেশি ঝুঁকিতে?


চিকিৎসকদের মতে, মহিলাদের মধ্যে গলব্লাডারে পাথরের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। ঘন ঘন উপোস, অনিয়মিত খাবার, ডায়াবেটিস, অনিয়ন্ত্রিত কোলেস্টেরল, মেনোপজের পর হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি বা দীর্ঘদিন গর্ভনিরোধক বড়ি ব্যবহার—এসব ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়ে। গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনও এই রোগের সম্ভাবনা বাড়াতে পারে।


তবে শুধু মহিলারাই নন, অতিরিক্ত ওজনের পুরুষ বা দীর্ঘদিন ধরে হজমের সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের মধ্যেও গলব্লাডারে পাথর হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। তাই খাওয়ার পর নিয়মিত পেটব্যথা হলে অবহেলা না করে সময়মতো চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments

Popular posts from this blog

রমজানের শেষ দিনের চাঁদ দেখা গেছে, আমিরাতে ঈদুল ফিতরের তারিখ জানা গেল...see more

কিস করার সময় জিহ্বার ব্যবহার সম্পর্কে যা জানা জরুরি …see more

একজন অভিভাবক হিসেবে আপনার জানা উচিত, কী লক্ষণগুলো...see more