২০৩০ সালে এক ভরি স্বর্ণের দাম কত লাখ টাকা হবে, জানুন আসল তথ্য
অর্থনীতিবিদ ও আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আগামী বছরগুলোতে স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, মুদ্রাস্ফীতি এবং ডলারের মূল্য ওঠানামার কারণে ২০৩০ সালের মধ্যে স্বর্ণের বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৩,০০০ থেকে ৪,০০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের এক ভরি দাম ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা বা তারও বেশি হতে পারেবর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণকে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করছেন। ফলে চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি দামও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, Bangladesh Jewellers Association (বাজুস)-এর মতে স্বর্ণের দাম পুরোপুরি আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভরশীল। বিশ্ববাজারে যদি দাম দ্বিগুণ হয়, তাহলে স্থানীয় বাজারেও একই অনুপাতে প্রভাব পড়বে।
স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির পেছনে কয়েকটি প্রধান কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মুদ্রাস্ফীতি, ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ মজুদ বাড়ানো। এছাড়া ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণের দিকে ঝুঁকে পবাংলাদেশে ইতোমধ্যে স্বর্ণের দাম ১ লাখ থেকে ২ লাখ টাকার সীমা অতিক্রম করেছে। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার স্তর অতিক্রম করা অস্বাভাবিক নয়।
তবে এই পরিস্থিতি মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য বড় চাপ তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বর্ণ এখনো নিরাপদ এবং লাভজনক সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.
Comments
Post a Comment