কল্পনা করুন, চারপাশ অন্ধকার। মাটির নিচে একাকী…see more
কল্পনা করুন, চারপাশ অন্ধকার। মাটির নিচে একাকী একটি ঘর। সেখানে আপনার সঙ্গী বলতে কেউ নেই, শুধু আপনার আমলনামা। হঠাৎ কবরের এক কোণ থেকে ভেসে আসছে এক হাড়হিম করা আওয়াজ... ফোঁস ফোঁস!
সেটি কোনো সাধারণ সাপ নয়। সেটি হলো 'শুজাউল আকরা'।
কে এই শুজাউল আকরা?
রাসূলুল্লাহ (সা.) হাদীসে এই ভয়ঙ্কর প্রাণীর বর্ণনা দিয়েছেন। এটি এমন এক বিশাল সাপ, যার মাথায় কোনো চুল নেই (অতিরিক্ত বিষের কারণে)। এর চোখ দুটো আগুনের মতো দাউদাউ করে জ্বলছে। এই সাপটি আপনার দিকে তাকিয়ে বজ্রকণ্ঠে বলবে—
"আমি তোমার সেই নামাজ, যা তুমি দুনিয়াতে অবহেলা করে ছেড়ে দিয়েছিলে!"
বেনামাজির কবরে কী ঘটবে?
যিনি ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ ছেড়ে দিয়েছেন, এই সাপটি তাকে ফজর থেকে জোহর, জোহর থেকে আসর—এভাবে প্রতিটি ওয়াক্তের নামাজের জন্য দংশন করতে থাকবে। প্রতিটি দংশনে মানুষ মাটির ৭০ হাত নিচে চলে যাবে। ব্যথায় আর্তনাদ করার মতো কোনো জায়গা সেখানে থাকবে না।
এত বড় আজাব থেকে মুক্তির উপায় কী?
গল্পটি কি এখানেই শেষ? না! মহান আল্লাহ আমাদের জন্য তওবার দরজা খোলা রেখেছেন। নবীজী (সা.) আমাদের শিখিয়ে গিয়েছেন এই ভয়াবহ আজাব থেকে বাঁচার এক সহজ কিন্তু শক্তিশালী পথ।
১. আন্তরিক তওবা: আজই আল্লাহর কাছে হাত তুলে অঙ্গীকার করুন যে, আর কখনো নামাজ ছাড়বেন না।
২. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ: নামাজই হবে কবরের সেই অন্ধকার ঘরে আপনার একমাত্র নূর বা আলো। যখন শুজাউল আকরা আপনার দিকে আসবে, আপনার সিজদাহগুলো ঢাল হয়ে আপনাকে রক্ষা করবে।
৩. কুরআন তিলাওয়াত ও জিকির: নিয়মিত সূরা আল-মুলক তিলাওয়াত করুন, যা কবরের আজাব থেকে সুরক্ষা দেয়।
প্রিয় ভাই ও বোনেরা, কবর আমাদের আসল ঠিকানা। আজ আমরা দুনিয়ার কাজে এতই ব্যস্ত যে, যার পেছনে দৌড়াচ্ছি তা দুনিয়াতেই থেকে যাবে। শুধু সাথে যাবে সেই নামাজ।
এখনই সময় সিদ্ধান্ত নেওয়ার। আজই কি আপনার শেষ দিন হতে পারে না?
পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও মনে করিয়ে দিন। হতে পারে আপনার একটি শেয়ারের কারণে কেউ নামাজ শুরু করল, আর তার উসিলায় আপনিও জান্নাতের পথ সহজ পেলেন।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment